- অপেক্ষা করছিলে অনেকক্ষন?
- খুব বেশীক্ষন না এইতো মাত্র নব্বই টা অটো গুনেছি!
- সে গম্ভীর হয়ে বললো কল করোনি কেন তাহলে?
- চুপ করেই থাকলাম, বলতে পারলাম না এইযে তার পথ চেয়ে থাকাটা এটা আমার বড্ড ভালোলাগে, ভালোলাগে এত ভীরের মাঝেও যখন দোখদুটো তার উপরই আটকে যায়.. ভালোলাগে যখন সে….
- কি ম্যাডাম কোথায় হারালেন? চলেন কোথাও যাওয়া যাক নাকি এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবেন। বলো কোথায় যাবে?
- এই হলো আরেক বিপদ, এই ছেলে কি জানেনা আমি কোথায় যাবো, কি খাবো, কোনটা নিবো এসব ঠিক করতে একদমই পারিনা। তবে তাকে যে চাই এটা কিন্তু একদম ঠিকঠাক। একদম নিজেই ঠিক করেছি!
বললাম চলো যাই যেদিকে দুচোখ যায়..
হয়েছে এবার! কটমট চোখের চাহনি, উনি আবার যন্ত্রপ্রেমী মানুষ এসব হারিয়ে যাওয়ার সাহিত্য বুঝেন না। উনাকে বিরক্ত করতে আমার যতই ভালো লাগুক এই মুহূর্তে একদমই তা চাইছিনা কে জানে যদি বাড়ির পথে হাটা দেন….
বললাম চলো আজ রিকশা করে ঘুরি।
এবারের চোখের চাহনি ভরসাদায়ক, মনে হচ্ছে প্রস্তাবে উনি রাজি।
রিকশায় উঠে বরাবরের মতোই শুরু হলো উনার রাজ্যের আলাপ, একদমই প্রেমের কথা না, যন্ত্রমানবের যন্ত্রকথা! তবুও আমি টুপ করে প্রেমে পরে যাচ্ছি, তার কথাগুলো আমি সব শুনতে পাইনা আমি শুনি তাকে..
অপলকে তার দিকে তাকিয়ে থাকা আমার বরাবরের অভ্যাস। অনেকে বলে প্রিয় মানুষের চোখে তাকাতে পারেনা, আমি বরং তার চোখদুটোতেই আটকে যাই। তার ক্ষেত্রে অবশ্য একথা সত্য উনি আমার দিকে তাকান না। হয়ত তাকালেও আমি দেখিনা।
আজ মনে হয় আমি একটু বেশীই অন্যমনস্ক ছিলাম তাই ধাক্কার মতো খেলাম, সে আমার দিকে তাকিয়ে আছে গভীর চোখে..
আমি হারিয়ে গেলাম আরোও একবার, বুঝলাম সেও আজ আমাকে শুনতে পেয়েছে!

Leave a comment